Blog

Thursday, January 22, 2015

যখন আপনার ফোন রুট করেন, তখন আপনার ফোনকে আপনি নিয়ে যেতে পারেন এর চরম সীমায়। আপনি আপনার মোবাইলকে নানাভাবে কাসটোমাইজ করতে পারেন। কিন্তু এই রুট করলে যেমন ভাল হয়। তেমনি খারাপও হয়। যেমনঃ আপনি রুট করলে আপনার ওয়ারেনটি সেস এবং আপনি কখনো আপডেট দিতে পারবেন না আপনার ভার্সন এবং আপনার ফোন যেকোনো সময় ব্রিক হতে পারে এবং আরও অনেক সমস্যা। তাই আজ আপনাদের শিখাব কিভাবে আপনি আপনার রুট মোবাইলকে আনরুট করবেন। সব ডাউনলোড লিঙ্ক নিচে দেওয়া।

এই কাজটি দুইটি পদ্ধতিতে করা যায়ঃ

পদ্ধতি ১: SuperSU অ্যাপ ব্যবহার করে


  • এই পদ্ধতিটি সকল ডিভাইসেই কাজ করবে যেগুলো রুট করা হয়েছিল কাস্টম রিকোভারি ছাড়া।
  • প্রথমে, ডাউনলোড করুন এবং ইন্সটল করুন SuperSU app নিম্নের লিঙ্ক থেকে
  • ওপেন করুন SuperSU অ্যাপ, তারপর যান Settings এ, এবং ক্লিক করুন ‘Full unroot’.
supersu full unroot
  • তারপর একটি কনফার্ম বক্স আসবে এবং সেখান থেকে continue ক্লিক করুন। Successful হওয়ার পর, Unroot superuserwill অটোমেটিকলি ক্লোজ হয়ে যাবে।
  • তারপর আপনার ফোন রিস্টার্ট করুন।
  • SuperSU অ্যাপ আনইন্সটল করুন এবং আপনার ফোন পুরোপুরি unroot হয়ে যাবে।

পদ্ধতি ২: Use ES File Explorer

  • যদি উপরের পদ্ধতি কাজ না করে তাহলেই এই পদ্ধতি অবলম্বন করুন, কারন এই পদ্ধতিটি একটু ক্রিটিকাল।
  • ইন্সটল করুন ES File Explorer অ্যাপ আপনার ডিভাইসে এবং এই অ্যাপটি মুভ করুন SD card এ।
  • তারপর ওপেন করুন অ্যাপটি এবং ক্লিক করুন menu বাটন।
  • এইবার ক্লিক করুন ‘Tools’ এ এবং সিলেক্ট করুন ‘Root Explorer’ ওপেন করার জন্য। Superuser আপনার কাছে অনুমতি চাবে অ্যাপটিকে রুট প্রিভিলেজ দিতে। এলাও করুন।
ES file manager root explorer pic1
  • এইবার অ্যাপটির মেইন স্ক্রীনে যান এবং উপরের কর্নার থেকে সিলেক্ট করুন ‘/’।
  • এইবার system -> bin এ যান। এইবার খুঁজুন busybox এবং su ফাইল and এদের ডিলিট করুন। যদি আপনি তাদের না পান তাহলে আপনি এই স্টেপ স্কিপ করুন।
ES file manager root explorer pic2
  • তারপর এবার system ফোল্ডার ওপেন করুন এবং ওপেন করুন ‘xbin’ ফোল্ডার এবং ডিলিট করুন busybox এবং su। (যদি আপনি খুঁজে পান)।
  • আপনি আবার system ফোল্ডারে যান এবং ওপেন করুন ‘app’ ফোল্ডার এবং ডিলিট করুন thesupeuser.apk ফাইল। কাজ শেষ। 
  • এইবার আপনি আপনার ডিভাইস রিস্টার্ট দিন এবং আপনার ডিভাইস unroot হয়ে যাবে।

ইম্পরট্যান্ট নোট:- প্লিজ ইন্সটল করুন ROOT CHECKER অ্যাপ নিম্নের লিঙ্ক থেকে এবং দেখুন যে আপনার মোবাইল পুরোপুরি UNROOTED হয়েছে কি না।

Thursday, January 15, 2015


কেমন আছেন? আসা করি ভালই আছেন। আমরা অনেকেই কমবেশি রান কমান্ড সম্পর্কে জানি। কিন্তু আমরা এর পূর্ণ ফিচার সম্পর্কে হয়তো অনেকেই জানি না। এটি আপনার অনেক সময় বাঁচাতে পারে। আজকে রান কমান্ড এর ১০০রও বেশি রান কমান্ড সম্পর্কে জানব।
* রান কমান্ড ওপেন করার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি Win Key + R ক্লিক করা।

যা হবেকমান্ড
Open Documents Folderdocuments
Open Videos foldervideos
Open Downloads Folderdownloads
Open Favorites Folderfavorites
Open Recent Folderrecent
Open Recent Folderlogoff
Open Pictures Folderpictures
Windows Sideshowcontrol.exe /name Microsoft.WindowsSideshow
Windows CardSpacecontrol.exe /name Microsoft.cardspace
Windows Anytime UpgradeWindowsAnytimeUpgradeui
Taskbar and Start Menucontrol.exe /name Microsoft.TaskbarandStartMenu
Troubleshootingcontrol.exe /name Microsoft.Troubleshooting
User Accountscontrol.exe /name Microsoft.UserAccounts
Adding a new Devicedevicepairingwizard
Add Hardware Wizardhdwwiz
Advanced User Accountsnetplwiz
Advanced User Accountsazman.msc
Backup and Restoresdclt
Bluetooth File Transferfsquirt
Calculatorcalc
Certificatescertmgr.msc
Change Computer Performance Settingssystempropertiesperformance
Change Data Execution Prevention Settingssystempropertiesdataexecutionprevention
Change Data Execution Prevention Settingsprintui
Character Mapcharmap
ClearType Tunercttune
Color Managementcolorcpl
Command Promptcmd
Component Servicescomexp.msc
Component Servicesdcomcnfg
Computer Managementcompmgmt.msc
Computer Managementcompmgmtlauncher
Connessione proiettore di retenetproj
Connect to a Projectordisplayswitch
Control Panelcontrol
Create A Shared Folder Wizardshrpubw
Create a System Repair Discrecdisc
Credential Backup and Restore Wizardcredwiz
Data Execution Preventionsystempropertiesdataexecutionprevention
Date and Timetimedate.cpl
Default Locationlocationnotifications
Device Managerdevmgmt.msc
Device Managerhdwwiz.cpl
Device Pairing Wizarddevicepairingwizard
Diagnostics Troubleshooting Wizardmsdt
Digitizer Calibration Tooltabcal
DirectX Diagnostic Tooldxdiag
Disk Cleanupcleanmgr
Disk Defragmenterdfrgui
Disk Managementdiskmgmt.msc
Displaydpiscaling
Display Color Calibrationdccw
Display Switchdisplayswitch
DPAPI Key Migration Wizarddpapimig
Driver Verifier Managerverifier
Ease of Access Centerutilman
EFS Wizardrekeywiz
Event Viewereventvwr.msc
Fax Cover Page Editorfxscover
File Signature Verificationsigverif
Font Viewerfontview
Game Controllersjoy.cpl
Getting Startedgettingstarted
IExpress Wizardiexpress
Getting Startedirprops.cpl
Install or Uninstall Display Languageslusrmgr
Internet Exploreriexplore
Internet Optionsinetcpl.cpl
iSCSI Initiator Configuration Tooliscsicpl
Language Pack Installerlpksetup
Local Group Policy Editorgpedit.msc
Local Security Policysecpol.msc
Local Users and Groupslusrmgr.msc
Location Activitylocationnotifications
Magnifiermagnify
Malicious Software Removal Toolmrt
Manage Your File Encryption Certificatesrekeywiz
Math Input Panelmip
Microsoft Management Consolemmc
Microsoft Support Diagnostic Toolmsdt
Mousemain.cpl
NAP Client Configurationnapclcfg.msc
Narratornarrator
Network Connectionsncpa.cpl
New Scan Wizardwiaacmgr
Notepadnotepad
ODBC Data Source Administratorodbcad32
ODBC Driver Configurationodbcconf
On-Screen Keyboardosk
Paintmspaint
Pen and Touchtabletpc.cpl
People Near Mecollab.cpl
Performance Monitorperfmon.msc
Performance Optionssystempropertiesperformance
Phone and Modemtelephon.cpl
Phone Dialerdialer
Power Optionspowercfg.cpl
Presentation Settingspresentationsettings
Print Managementprintmanagement.msc
Printer Migrationprintbrmui
Printer User Interfaceprintui
Private Character Editoreudcedit
Problem Steps Recorderpsr
Programs and Featuresappwiz.cpl
Protected Content Migrationdpapimig
Region and Languageintl.cpl
Registry Editorregedit
Registry Editor 32regedt32
Remote Access Phonebookrasphone
Remote Desktop Connectionmstsc
Resource Monitorresmon
Resultant Set of Policyrsop.msc
SAM Lock Toolsyskey
Screen Resolutiondesk.cpl
Securing the Windows Account Databasesyskey
Servicesservices.msc
Set Program Access and Computer Defaultscomputerdefaults
Share Creation Wizardshrpubw
Shared Foldersfsmgmt.msc
Snipping Toolsnippingtool
Soundmmsys.cpl
Sound recordersoundrecorder
SQL Server Client Network Utilitycliconfg
Sticky Notesstikynot
Stored User Names and Passwordscredwiz
Sync Centermobsync
System Configurationmsconfig
System Configuration Editorsysedit
System Informationmsinfo32
System Propertiessysdm.cpl
System Properties (Advanced Tab)systempropertiesadvanced
System Properties (Computer Name Tab)systempropertiescomputername
System Properties (Hardware Tab)systempropertieshardware
System Properties (Remote Tab)systempropertiesremote
System Properties (System Protection Tab)systempropertiesprotection
System Restorerstrui
Task Managertaskmgr
Task Schedulertaskschd.msc
Trusted Platform Module (TPM) Managementtpm.msc
User Account Control Settingsuseraccountcontrolsettings
Utility Managerutilman
Version Reporter Appletwinver
Volume Mixersndvol
Windows Action Centerwscui.cpl
Windows Activation Clientslui
Windows Anytime Upgrade Resultswindowsanytimeupgraderesults
Windows CardSpaceinfocardcpl.cpl
Windows Disc Image Burning Toolisoburn
Windows DVD Makerdvdmaker
Windows Easy Transfermigwiz
Windows Explorerexplorer
Windows Fax and Scanwfs
Windows Featuresoptionalfeatures
Windows Firewallfirewall.cpl
Windows Firewall with Advanced Securitywf.msc
Windows Journaljournal
Windows Media Playerwmplayer
Windows Memory Diagnostic Schedulermdsched
Windows Mobility Centermblctr
Windows Picture Acquisition Wizardwiaacmgr
Windows PowerShellpowershell
Windows PowerShell ISEpowershell_ise
Windows Remote Assistancemsra
Windows Repair Discrecdisc
Windows Script Hostwscript
Windows Updatewuapp
Windows Update Standalone Installerwusa
Versione Windowswinver
WMI Managementwmimgmt.msc
WordPadwrite
XPS Viewerxpsrchvw

Wednesday, January 14, 2015

কেমন আছেন? আসা করি ভালই আছেন। আজ আপনাদের খুবই দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, কাল থেকে মাইক্রোসফট বন্ধ করে দিয়েছে উইন্ডোজ ৭ এর মূল সাপোর্ট। সকল ধরণের ফ্রী সাপোর্ট এবং আপডেট শুধুমাত্র সিকুরিটি ছাড়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু একটা ভাল খবর হল, এই ছয় বছর পুরাতন অপারেটিং সিস্টেম প্রায় ৫৬% ব্যবহারী রয়েছে এবং এর পুরপুরি সাপোর্ট বন্ধ হবে ২০২০ সালে।

উইন্ডোজ ৮ এবং ৮.১ বের হওয়ার পরেও তা ব্যবহারকারীদের মধ্যে তেমন চমক দেখাতে পারেনি। তাই এটি মার্কেট সেলসে মাত্র ৯% রয়েছে। এবং অ্যাপেলের ম্যাক জুড়ে রয়েছে ৫%। অবিশ্বাস ব্যাপার হল, ১৪ বছর পুরাতন উইন্ডোজ এক্সপি জুড়ে রয়েছে ১৮% যা অনেক বেশি।

Monday, January 12, 2015

  1. আন্তর্জাতিক CES, পূর্ণ অর্থ Consumer Electronics Show (CES), is an internationally renowned electronics and technology trade show, attracting major companies and industry professionals worldwide. হল একটা আন্তর্জাতিকভাবে প্রখ্যাত ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তি ট্রেড শো, যা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানি এবং ইন্ডাস্ট্রির মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। আএই অনুষ্ঠানে অনেক ধরনের নতুন নতুন প্রযুক্তি দেখা যায়। আজ সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালগুল সিলেক্ট করা হবে
...

Wednesday, January 7, 2015


অনেক মানুষই মুভি দেখতে ভালবাসেন। আর আমরা এসব মুভি ইন্টারনেট থেকে ফ্রিতে ডাউলোড করি। কিন্তু ডাউনলোডের সময় আমরা সবাই দেখেছি মুভির শেষে PDVDRip, BRRip, TS ইত্যাদি লেখা থাকে। আমাদের অনেকেরই এসব সম্পর্কে জ্ঞান নেই। তাহলে আসুন একটু জেনে নেয়া যাক। আমার এই ছোট্ট প্রয়াস হয়ত আপনাদেরকে ভবিষ্যতে আরো ভালভাবে মুভি ডাউনলোড দিতে সাহায্য করবে। মূলত মুভির শেষে যে লেখাগুলো থাকে তা রিপিং (Ripping) স্টাইল চিহ্নিত করে।

CAM Rip

মুভি যখন প্রথম রিলিজ হয় তখন এই রিপের ফাইলগুলো ইন্টারনেটে ছাড়া হয়। দেখেই বোঝা যায়, এটি হল Cam অর্থাৎ ক্যামেরা দ্বারা রিপ করা।
সিনেমা হলের প্রিন্টই হল ক্যাম রিপ যাকে আমরা বলে থাকি Hall Print. এ ধরনের রিপের কোয়ালিটি নিম্নমানের হয়। একটি পাওয়ারফুল ক্যামেরা দিয়ে হলে বসেই স্ক্রিন ভিডিও করা হয়। সাউন্ড নেয়া হয় ক্যামেরার সাথের স্পিকার দিয়ে অথবা হলের স্পিকারের লাইন থেকে। অনেক ক্ষেত্রেই হাঁত কাপার কারনে স্ক্রিনও কেঁপে যায়, আবার সামনে দিয়ে যদি কোন লোক হেঁটে যায় তবে তাকেও দেখা যায়। বসার জায়গা সঠিক না হলে রিপিং এর সময় স্ক্রিনের চারদিকের বর্ডারটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে (অর্থাৎ সিনেমা হলের পর্দার বর্ডার)। আবার অনেক সময় একটি কোনা থেকে বসে রেকর্ড করলে সিনেমা অনেকটা বাকা বলে মনে হয়।
আমাদের এই উপমহাদেশে যে সকল Cam Rip হয় সেগুলো খুব নিম্নমানের। তবে পশ্চিমা দেশের হলের পর্দা স্পষ্ট এবং সেখানে রিপিং সম্পর্কিত প্রতিভা ভাল হওয়ায় সেখানকার ক্যাম রিপ একটু ভাল কোয়ালিটির হয়।

PDVD Rip

এর পুরো অর্থ সম্পর্কে ইন্টারনেটে মতভেদ আছে। কেউ বলেন এর অর্থ Pre DVD Rip আবার কেউ বলেন Pirated DVD Rip. তবে যেটাই হোক না কেন, এটা কিন্তু এই আমাদের এশিয়া মহাদেশ সম্পর্কিত। প্রি ডিভিডি রিপ বলতে বুঝায় সিনেমার অফিশিয়াল রিলিজ হওয়ার আগেই যে রিপ করে সিনেমা ইন্টারনেটে রিলিজ করা হয়। আর এসব ডিস্ক সাধারনত সিলভার ডিস্ক হয় যা কিন্তু সস্তা।
আমরা বাজারে যেগুলো কিনি সেগুলোর বেশিরভাগই PDVD রিপ।

DVD Rip

এটি হল PDVD এর যমজ ভাই। একই জিনিস। এটি সরাসরি DVD থেকে রিপিং করে Xvid/DivX (ইনকোডিং ফরম্যাট) ইনকোডিং ফরম্যাটে এনে ইন্টারনেটে রিলিজ করা হয়। এটি হল ফাইনালি রিলিজড ডিভিডির রিপ। কোয়ালিটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভাল হয়।

TV Rip

টিভি হল বর্তমানে আমাদের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। অনেকের কম্পিউটারে টিভি কার্ড লাগানো থাকে এবং তা দিয়েই আমরা পিসিতে টিভি দেখতে পারে। কিছু উন্নতমানের কার্ড হলে সরাসরি টিভি থেকেই রেকর্ড সম্ভব হয়। তবে কোয়ালিটি কেমন হবে তা নির্ভর করে আপনার টিভি স্ক্রিন কত পরিষ্কার এবং চ্যানেল কত স্বচ্ছ। Television থেকে যেসব রিপিং করে ইন্টারনেটে ছাড়া হয় সেগুলোই হল টিভি রিপ।
মূলত মুভি TVRip হয় না। কোন টেলিফিল্ম, নাটক ইত্যাদি TVRip হয়ে থাকে। আমাদের দেশে এর প্রচলন কম কেননা আমাদের দেশের লোকাল ক্যাবল নেটওয়ার্কের কোয়ালিটি ভাল নয়।

BRRip OR BDRip

Blue Ray Disk এর নাম আপনারা সবাই শুনেছেন। এগুলো ডিস্কের দাম অনেক বেশি এবং আমাদের দেশে পাওয়া যায় কিনা সে সম্পর্কে আমি বলতে পারব না। Blue Ray ডিস্ক থেকে রিপিং করে যে সব ইন্টারেনেটে ছাড়া হয় সেগুলোই হল BR অথবা BD রিপ। এগুলোর কোয়ালিটি খুবই ভাল, দেখতে পুরোপুরি পরিষ্কার। একে আমরা Original Master Print বলতে পারি।
এগুলোর ভিডিও কোয়ালিটি ৭২০-১০৮০ পিক্সেল পর্যন্ত হয়ে থাকে। নিম্নে BDRip এবং BRRip এর পার্থক্য দেয়া হলঃ
BDRip: এই রিপ Xvid এনকোডিং এর মাধ্যমে সরাসরি ব্লু রে ডিস্ক থেকে রিপিং করা হয়।
BRRip: ইতোমধ্যে ফাইল আকারে রিলিজ হয়েছে, এরকম অংশ থেকে আবার নতুন ভাবে ইনকোডিং এর সাহায্যে রিপ করাকে BRRip বলে।
বিঃদ্রঃ BRRip এবং BDRip – DVDRip থেকে অনেক ভাল। কিন্তু ব্লু-রে ডিস্কের কোয়ালিটি ১০৮০ পিক্সেলের হয়, কিন্তু আমরা যে রিপগুলো দেখে সেগুলো ৭২০ পিক্সেলের হয়। তাই BRRip বা BDRip কে আসল ব্লু-রে কোয়ালিটি বলে ভুল করবেন না।

TS Rip

TS এর সম্পূর্ণ অর্থ হল Tele Sync। এটি প্রায় CAM রিপ এর মতই। তবে মূল পার্থক্য হল – একটি এক্সটার্নাল সোর্স থেকে অডিও সরবরাহ করা হয়। যদি ডাইরেক্ট সাউন্ড সিস্টেম থাকত, তাহলে দর্শকদের মুখের কথা শোনা যেত। আবার কমেডি সিনেমা হলে হো হো করে হাসির শব্দ শুনলেও অবাক হওয়ার কিছু ছিল না।
কিন্তু আনন্দের বিষয়, TS রিপ এ এমন বিড়ম্বনার সম্মুখীন হতে হবে না। এ রিপ গুলো অনেক সময়ই ফাকা সিনেমা হলে উন্নত ক্যামেরা দ্বারা করা হয়। প্রজেক্টর অনেক উন্নত করা হয় এর ফলে পিকচার কোয়ালিটিও ভাল আসে।
তাই বলা যায়, TS Rip এর কোয়ালিটি CAM রিপ এর চেয়ে একটু ভাল। তবে কোয়ালিটি বেশি নির্ভর করবে প্রযুক্তির উপর।
স্ক্রিনের Aspect Ratio হয় 4:3

TC Rip

TC এর সম্পূর্ণ অর্থ হল TeleCine। এটি শুধু আমাদের দেশে নয়, প্রায় সব দেশেই একেবারে Uncommon. কারনটি একটু পরে বলছি।
TC রিপ এ সিনেমার রিল (Reel) থেকে সরাসরি সিনেমা কপি করা হয়, এরপর ডিস্ক থেকে রিপ করে ইন্টারনেটে ছাড়া হয়। সাউন্ড কোয়ালিটি এবং পিকচার কোয়ালিটি অত্যন্ত উন্নতমানের হয়। কিন্তু এ রিপিং পদ্ধতিতে খরচ বেশি হওয়ায় এটি অনেকটাই আন-কমন।

SCR Rip

পুরো অর্থ Screener। অনেক মুভির প্রচারের জন্য VHS Tape বিভিন্ন দোকানে পাঠানো হয়। এসবের মূল বৈশিষ্ট্য হল, স্ক্রিনে শুরুতে কোম্পানির নাম এবং কপিরাইট সম্পর্কিত টেক্সট ভাসতে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসকল টেক্সট পুরো সিনেমার সময় ধরে এক কোনায় ভাসতে থাকে। এসকল Tape থেকে যে সকল রিপ করে ইন্টারনেটে ছাড়া হয় সেগুলো SCR Rip নামে উল্লেখ করা হয়।
এসকল ছবির মান কেমন হবে তা নির্ভর করবে এনকোডারের আর টেপের উপর। যদি সরঞ্জমাদি ভাল হয় তবে কোয়ালিটিও ভাল হতে বাধ্য।

DVD SCR

এটি হল Screener এর মামাত ভাই। পার্থক্য হল, VHS Tape এর বদলে DVD থেকে এর রিপিং করা হয়। তবে খুশি হয়ে লাভ নেই, এতেও বিশেষ ধরনের টেক্সট ভাসতে থাকে। বরং এখানে টেক্সট যদি মাঝখানেও ভাসে তাহলে করার কিছু নেই।

R5 Rip

R5 হল একটি বিশেষ ধরনের ডিভিডি ফরম্যাট যা Region 5 হিসেবে রিলিজ হয়। (সূত্রঃ ইন্টারনেট/গুগলিং)। এর জন্ম সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে। ইন্টারনেটের চোরাকারবারিরা R5 Rip রিলিজ করে (অবশ্য এখনো তো তারাই করে)। এসকলের কোয়ালিটি খুবই উন্নতমানের। উল্লেখ্য আমি একটা মুভি ডাউনলোড করেছিলাম R5 রিপের, কোয়ালিটি বলতে পারেন Full HD. (অথচ সাইজ ৪৫০ মেগা)
মূলত, মুভি পাইরেসির সঙ্গে কোম্পানি গুলো পাল্লা দেয়ার জন্য আলাদা ফরম্যাটের ডিভিডি রিলিজ করত। এটি অনেক সময় ডাইরেক্ট টেলিসিন ট্রান্সফার করা হয় ডিভিডির মত আলাদা কোন ইমেজ সম্পাদনা ছাড়াই। এর ফলে যখন PDVD বা DVDSCR রিলিজ হয়, তখনই এই বিশেষ ফরম্যাট রিলিজ হয়। এই বিশেষ ফরম্যাটের সাথে কোয়ালিটির কারনে PDVD বা পাইরেটেড কিছু টিকতে পারে না। এই বিশেষ কোয়ালিটি থেকেও আমাদের পাইরেট ভাইয়ারা রিপ করে থাকে।
*আর এই রিপ হল R5 Rip. R5 রিলিজ অনেক সময় কোন ইংলিশ অডিও ট্রাক ছাড়াই রিলিজ হতে পারে। এর ফলে চোরদের মুভির অফিশিয়াল রিলিজের অডিও ব্যবহার করতে হয় আলাদাভাবে কাট করে
Because there is no scene release standard for pirated R5 releases, they were variably tagged as Telecines, DVD Screeners, or even DVD rips. In late 2006, several release groups such as DREAMLiGHT, mVs, and PUKKA began tagging R5 releases with “.R5″ or r5 line (the line meaning it has direct english line audio) and suggesting that other groups do the same.
* = ইন্টারনেট (সূত্র)

WorkPrint (WP)

এ রিপ দিয়ে ডাউনলোড দেবেন না। এই রিপগুলোতে সিনেমা রিলিজ হওয়ার আগেই বের হয়। এসব কে চোরাই রিপ না বললেও চলে, কেননা ইন্ডাস্ট্রি নিজ স্বার্থে এটি ব্যবহার করে। এ ক্ষেত্রে অনেক সিন নাও থাকতে পারে, সাউন্ড না থাকতে পারে। একে আমরা অনেকটা Movie Trailer এর সাথে তুলনা করতে পারি।
এখন আমি একটি সবচেয়ে বড় প্রশ্নের উত্তর দিতে যাচ্ছি। প্রশ্নটি হল, ডাউনলোড করব কোনটি?
আপনারা ডাউনলোডের জন্য DVDRip, BR/BDRip, R5 Rip বেছে নেবেন। এগুলোর কোয়ালিটি খুবই ভাল হয় (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে)।

পোস্টটি প্রথম প্রকাশিত হয় এই লিঙ্কে

Saturday, January 3, 2015


কেমন আছেন? আসা করি ভালই আছেন। আমরা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে যাই। সেই সব ওয়েবসাইটে অনেক সময় নানা ভিডিও থাকে। আপনি একটি জিনিস দেখতে দেখতে লক্ষ করতে পারেন যে কথা থেকে যেন মিউজিক চালু হয়েছে। এই মিউজিক সাধারনত ভিডিও থেকে আশে জা অটো-প্লে হয়। এই ব্যাপারটি খুবই খারাপ লাগে এবং এটি আপনার ইন্টারনেট স্পীড কমিয়ে দেয় এবং এমবি কেটে নেয় আপনার অজান্তে। তাই আজ আপনাদের শিখাব কিভাবে এটি বন্ধ করতে হয়।

Chrome

  • ১। উপরের ডান পাশ থেকে মেনু আইকন ক্লিক করে সেটিংস্‌ সিলেক্ট করুন। 
  • ২। তারপর নিচে পর্যন্ত নামান এবং ক্লিক করুন Show advanced settings
  • ৩। তারপর এবার নিচে পর্যন্ত নামাতে থাকুন যতক্ষণ না আপনি Privacy section খুজে পান। ক্লিক করুন Content settings বাটনে।
  • ৪। বাটনে ক্লিক করার পর একটি ডায়লগ বক্স আসবে,তারপর নিচে পর্যন্ত নামাতে থাকুন যতক্ষণ না আপনি  Plug-ins section খুজে পান। সিলেক্ট করুন Click to play, তারপর ক্লিক করুন Done বাটন।.
0101 block flash chrome 2
এরপর থেকে প্রতিবার ভিডিওতে ধূসর স্ক্রীন শকওয়েভ দেখবেন। সেখানে আপনি ক্লিক করলেই ভিডিও চালু হবে।

Firefox

  • ১। ক্লিক করুন Ctrl-L  যাতে এড্রেস বার ওপেন হয়, এবং টাইপ করুন about:addons এবং এন্টার ক্লিক করুন।.
  • ২। ক্লিক করুন Plugins বাম পেনেল থেকে।
  • ৩। তারপর Shockwave Flash খুঁজুন প্লাগ-ইনে। 
  • ৪। ক্লিক করুন Always Activate পপ-আপ মেনু থকে যেইটা বামে আছে, এবং সিলেক্ট করুন Ask to Activate।
0101 block flash firefox
এইবার আপনি যতবার ভিডিও দেখতে যাবেন, তখন দেখবেন নিচের ছবির মত একটি 'এফ' লেখা আছে। আপনি শুধু উপর থেকে Allow ক্লিক করলেই হবে। তারপর ক্লিক করবেন Allow Now।
0101 blocked chrome

Internet Explorer

  • ১। উইন্ডোর উপর থেকে মেনুতে ক্লিক করুন এবং, সিলেক্ট করুন Tools>Manage add-ons.
  • ২। তারপর Manage Add-ons ডায়লগ বক্স ওপেন হবে, শিউর হয়ে নিবেন যেন  Toolbars and Extensions যেন 
  • ৩। বাম পাশ থেকে সিলেক্ট করা থাকে।
  • ৪। খুঁজে বের করুন এবং ডাবল-ক্লিক করুন Shockwave Flash Object। 
0101 block flash ie
  • ৫। তারপর একটি ডায়লগ বক্স ওপেন হবে এবং সেখান থেকে ক্লিক করুন Remove all sites বাটনে। তারপর সব ডায়লগ বক্স ক্লোজ করে দিন।
0101 block flash ie 2
এরপর থেকে ভিডিওর জায়গায় ফ্ল্যাশ আইকন থাকতেও পারে, নাও পারে। কিন্তু নিচে একটি বার দেখা যাবে। সেখান থেকে ক্লিক করবেন allow Flash to play।  তারপর ক্লিক করুন x যেইটা ডানে আছে।

Sunday, December 28, 2014

কেমন আছেন? আসা করি ভালই আছেন। আপনি একটি নতুন পিসি কিনেছেন, এবং তার সকল হার্ডওয়্যার নতুন। এবং নতুন হার্ডওয়্যারের চাই নতুন সফটওয়্যার। যদিও নিজের কম্পিউটারকে সাজানো বা কি কি প্রোগ্রাম ইন্সটল করবেন তা নিজের ইচ্ছা। তবুও এই প্রোগ্রামগুলো আপনার অনেক কাজে লাগবে। এগুলো আপনার জন্য খুবই হেল্পফুল, হ্যান্ডি এবং ইউসফুল হবে।

১। একটা ব্রাউজার

আগে বলে নেই, কোন ব্রাউজার ইউস করবেন তা পুরোপুরি আপনার উপর নির্ভর করে। তবুও আমি আপনাকে কিছু ভাল উদাহরণ দিতে পারি যে কোনটা সবচেয়ে ভাল। ফায়ারফক্স এবং এই.ই ১১ (Internet Explorer 11) উভয়েই অনেক ধরনের ফিচার এবং নানা অ্যাডঅন আছে। কিন্তু আমার মতে গুগলে কোরম (Google Chrome) সবচেয়ে ভাল। এছাড়া এটি PCWorld’s browser showdown এ জয়ী হয়েছে।

২। Ninite 

Ninite হল এমন এক ধরনের প্রোগ্রাম যা একই সময়ে আপনার অনেক গুলো প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ডাউনলোড এবং ইন্সটল করে দিতে পারে। 
ডাউনলোডঃ Ninite

৩। একটা অ্যান্টিভাইরাস

প্রথমে যেহেতু আপনি একটি নতুন কম্পিউটার কিনেছেন, তাই আপনার একটা অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা বাঞ্ছনীয়। প্রথমে আপনি একটি ফ্রী অ্যান্টিভাইরাস ইউস করতে পারেন। কিন্তু দাম দিয়ে একটা অ্যান্টিভাইরাস কিনে নেওয়া বেশি ভাল এবং সেফ।

৪। MalwareBytes Anti-Malware

এটাকে অ্যান্টিভাইরাস বলা যায় না, কারণ এটি অ্যান্টিভাইরাসের সাথেই Malware খুজে বের করে এবং তা ডিলিট করে। তাই একটি অ্যান্টিভাইরাস এবং এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা কোন সমস্যার ব্যাপার নয়।
ডাউনলোডঃ MalwareBytes Anti-Malware

৫। Recuva

এক মিনিট, আপনি কি আপনার কম্পিউটার থেকে কোন প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম পুরোপুরি ডিলিট করেছেন। কোন চিন্তা করবেন না, এই প্রোগ্রাম দিয়ে আপনি তা ফিরিয়ে আনতে পারবেন।
ডাউনলোডঃ Recuva 

৬। C-Cleaner

আপানর কম্পিউটারে জাঙ্ক ফাইল ভরে যেতে পারে। সেই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আপনি ব্যবহার করুন এই প্রোগ্রাম।
ডাউনলোডঃ C-Cleaner

৭। Secunia PSI

আপনার সব প্রোগ্রামগুলো কি আপ-টু-ডেট নাকি আউট-টু-ডেট এক মিনিটে তা চেক করুন এই প্রোগ্রাম দিয়ে।
ডাউনলোডঃ Secunia PSI

৮। VLC-Media Player

উইন্ডোজের মুলত উইন্ডোজ ৮ এর সবচেয়ে বড় সমস্যা হল এটি দিয়ে ডিভিডি ছালান যায় না। এছাড়া অনেক ফরম্যাটের ভিডিওও চালানো যায় না । তাই ব্যবহার করতে হবে এই সফটওয়্যার।
ডাউনলোডঃ VLC-Media Player

৯। Sumatra PDF

আমরা পিডিএফ রিডার হিসেবে মুলত জানি অ্যাডোবে পিডিএফ রিডারকে। কিন্তু এই পিডিএফ রিডারের অনেক সমস্যা রয়েছে যা Sumatra PDF এ নেই।
ডাউনলোডঃ Sumatra PDF

১০। একটা পাসসওয়ার্ড ম্যানেজার

বর্তমান পৃথিবীতে টেকনোলজিতে সবচেয়ে হুমকি হল পাসওয়ার্ড হ্যাকিং। এই সমস্যা থেকে বাচার জন্য আমাদের ব্যবহার করতে হবে কঠিন পাসওয়ার্ড। কিন্তু এগুলো মনে রাখা খুবই কঠিন। তাই এই পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করতে পারেন যাতে আপনি আপনার সকল পাসওয়ার্ড সেভ করে রাখতে পারবেন।
ডাউনলোডঃ Dashlane
ডাউনলোডঃ KeePass
ডাউনলোডঃ Lastpass

------------------------------------------------------------------------------------------
------------------------------------------------
---------------------------

Wednesday, December 24, 2014

কেমন আছেন? আসা করি ভালই আছেন। আমারা জানি, সময় খুবই মূল্যবান। তাই আপনাদের মূল্যবান সময় বাঁচানোর জন্য আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবে কয়েকটি খুবই সাধারণ টাইম সেভিং টিপস যা আপনি হয়তো কখনই জানেন না। এখানে আমি উইন্ডোজ ৭ এবং উইন্ডোজ ৮, ৮.১ ব্যবহারকারীদের জন্য টিপস দেব। এটা পার্ট ১।

১। টাস্কবারের প্রোগ্রাম কীবোর্ড দিয়ে ওপেন করুন। 

১। টাস্কবারের প্রোগ্রাম কীবোর্ড দিয়ে ওপেন করুন। 

আপনি হয়তো চেনেন কোনটা টাস্কবার। এই টাস্কবারে যেই প্রোগ্রাম গুলো থাকে সেগুলো আপনাদের অনেক কাজে আসে। কিন্তু আপনি এগুলো কীবোর্ড দিয়েও ওপেন করতে পারেন। আমরা টাস্কবারে প্রথমে যেই প্রোগ্রাম আছে সেটাকে ১, দ্বিতীয়তে যেইটা আছে সেইটাকে ২ ধরি, এভাবেই সবগুলো প্রোগ্রামকে আমরা নাম্বার দেই। 
এইবার আমরা Shift Button + ওই প্রোগ্রামের নাম্বার ক্লিক করলে প্রোগ্রাম ওপেন হবে।
যেমনঃ আমি যদি Shift Button + 3 ক্লিক করি তাহলে Google Chrome ওপেন হবে।

২। কোন চলন্ত প্রোগ্রামের নতুনটা ওপেন করুন।

২। কোন চলন্ত প্রোগ্রামের নতুনটা ওপেন করুন।

ধরুন উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার (Windows Explorer) ওপেন করা আছে এবং আপনি আরেকটা এক্সপ্লোরার উইন্ডো ওপেন করবেন। তখন আপনি শুধু Shift Button চেপে ধরে রেখে টাস্কবারের উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারের আইকনে ক্লিক করবেন। নতুন এক্সপ্লোরার উইন্ডো ওপেন হয়ে যাবে। এই পদ্ধতি সকল প্রোগ্রামে কাজ করে।

৩। কোন ফাইল বা ফোল্ডারের ফাইল পথ (File Path) কপি করুন মুহূর্তের মধ্যে।

৩। কোন ফাইল বা ফোল্ডারের ফাইল পথ (File Path) কপি করুন মুহূর্তের মধ্যে।

আমরা বেশিরভাগ মানুষই ফাইল পথ চিনি। ফাইল পথ কপি করতে আপনি যেই ফোল্ডার বা ফাইলের পথ কপি করবেন তা Shift Button চেপে রাখা অবস্থায় মাউসের Right ক্লিক করুন। তারপর সেখান থেকে "Copy as path" ক্লিক করুন। পথ কপি হয়ে যাবে।

৪। Send to তে যোগ করুন নতুন জায়গা।

৪। Send to তে যোগ করুন নতুন জায়গা।

Send to কে আমরা সবাই মুলত জানি। এটার মাধ্যমে সহজেই আপনি সহজেই অন্য জায়গায় ফাইল পাঠাতে পারেন। কিন্তু এই Sent to তে আপনি সিলেক্টেড কিছু জায়গায় আপনি ফাইল পাঠাতে পারেন। এইখানে জায়গা যোগ করতে প্রথমে আপনি আপনার জায়গার একটি শর্টকাট বানান। তারপর লোকেসন বারে (Location Bar) লিখুন "shell:sendto" এবং আপনি সেইখানে আপনার শর্টকাট পেস্ট করে দিতে পারবেন। এবং পেস্ট করার পর তা Sent to তে যোগ হবে।

৫। মাউসের সুবিধার জন্য ব্যবহার করুন চেকবক্স।

৫। মাউসের সুবিধার জন্য ব্যবহার করুন চেকবক্স।

আমরা অনেকেই অনেক কপি-পেস্ট করি। এর জন্য আমাদের অনেক ফাইল একটা একটা করে সিলেক্ট করতে হয় অনেক সময়। তাই এই চেকবক্স গুলো অনেক কাজের। উইন্ডোজ ৮, ৮.১ এ চেকবক্স পেতে চিত্রের মত View এ গিয়ে "Item check boxes" সিলেক্ট করে দিন।
উইন্ডোজ ৭ এ এটি পেতে আপনি স্টার্ট মেনুর সার্চে লিখুন "Folder Options" এবং প্রথমটা সিলেক্ট করুন। একটি বক্স ওপেন হবে এবং সেখান থেকে আপনি View এ ক্লিক করুন। এবং সেখান থেকে "Use check boxes to select items" চেক করে দিন।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------


Thursday, December 18, 2014

 আমরা অনেকেই চাই এনড্রয়েড গেম, ব্রাউজার এবং গেম বানাতে। আজ আপনাদের শিখাব কিভাবে এনড্রয়েড অ্যাপ বানাতে হয় তাও আবার কোন প্রোগ্রামিং জানা ছাড়াই। এই অ্যাপটি বানানোর পর আপনি এটি এপিকে( apk) ফরম্যাটে পাবেন যা দিয়ে আপনি আপনার মোবাইলেই ব্যবহার করে দেখতে পারবেন।

ধাপঃ

Þ     ১। প্রথমে এখানে যান।
Þ     ২। এখান থেকে আপনি যেই রকম অ্যাপ বানাতে চান সেখানে ক্লিক করুন।

যেইরকম অ্যাপ বানাবেন সেইটায় ক্লিক করুন ,
Þ     ৩। আমি এখানে Browser বানিয়ে দেখাব। আপনি যেইটা চান সেইটা বানাতে পারবেন।
Þ     ৪। প্রথমে ব্রাউজার স্টাইল সিলেক্ট করুন।
Þ     ৫। আপনার হোমেপেজের নাম দিন, অ্যাপ নাম দিন, আইকন দিন, বিস্তারিত লিখুন এবং একে একে সব গুলো করে ফেলুন।
Þ     ৬। সব হয়ে গেলে পাশে একটি মোবাইলে ক্লিক করে স্যাম্পল দেখে নিন।

স্যাম্পল দেখে নিন।
Þ     ৭। স্যাম্পল দেখে সন্তুষ্ট হলে Create App  এ ক্লিক করুন।
Þ     ৮। তারপর একটি নতুন পেজ ওপেন হবে।
Þ     ৯। এখানে ফর্মটি পূরণ করুন এবং সাইন আপে ক্লিক করুন
AUOrZ.png
ফর্ম পূরণ করুন।
Þ     ১০। সাইন আপ হলে Dashboard এ ক্লিক করুন।

Dashboard এ ক্লিক করুন।
Þ     ১১। এখান থেকে Download  এ ক্লিক করুন।

Download এ ক্লিক করুন।
Þ     ১২। তারপর একটি নতুন উইন্ডো ওপেন হবে এবং সেখান থেকে Download ক্লিক করুন।

আবার Download এ ক্লিক করুন ।
Þ     ১৩। আপনার অ্যাপ ডাউনলোড হয়ে যাবে।

ইম্পরট্যান্টঃ

  • আপনি আপনার ডাউনলোড করা ফাইলটি আপনার মোবাইল অবশ্যই টেস্ট করে দেখবেন
  • অবশ্যই অ্যাপ গুলোর সবকিছু ভাল করে মন দিয়ে করবেন।
  • এতে আপনার অ্যাপটি আরও আকর্ষণীয় হবে।
  • আপনি যেই ইমেইল এড্রেস দিয়ে সাইন আপ করেছেন সেই ইমেইল এড্রেস পরে আপনার কাজে আসতে পারে
  • আপনি আপনার ইমেইল এড্রেস দিয়ে আপনার অ্যাপ প্লে-স্টোরে পাবলিশ করতে পারবেন
—————————————————————————————————————————————————————————
ধন্যবাদ সবাইকে এবং আসা করি আমি যেন আরও অনেক অনেক পোস্ট করেতে পারি।
ভাল থাকুন এবং সুস্থ থাকুন।